বার্সেলোনায় এসো না, লওতারোকে সাবেক বার্সার তারকার হুঁশিয়ারি

বার্সেলোনায় এসো না, লওতারোকে সাবেক বার্সার তারকার হুঁশিয়ারি

ইন্টার মিলানের আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার লওতারো মার্টিনেজের প্রতি বার্সেলোনার আগ্রহ আছে, এ কথা আজকের নয়। কিন্তু বার্সার সাবেক এক তারকা লওতারোকে সাবধান করে দিয়েছেন এ ব্যাপারে। লুইস সুয়ারেজের বিকল্প খুঁজে পেয়েছে বার্সেলোনা। এখন শুধু তাঁকে দলে আনাই বাকি।
তিনি লওতারো মার্টিনেজ। ইন্টার মিলানের আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার। এর মধ্যে আর্জেন্টিনার হয়ে লিওনেল মেসির সঙ্গে বেশ কিছু ম্যাচ খেলে ফেলেছেন, মুগ্ধ করে ফেলেছেন ভবিষ্যৎ সতীর্থকে। এদিকে ইন্টারও সাফ জানিয়ে দিয়েছে।

লওতারোকে নিতে চাইলে ১১১ মিলিয়ন ইউরো খরচ করতে হবে বার্সেলোনাকে। আপাতত বার্সেলোনা শিবিরের হাবভাব দেখে মনে হচ্ছে, সে পরিমাণ অর্থ খরচ করতে সমস্যা নেই তাঁদের। ফলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে লওতারো যে বার্সেলোনায় আসছে, সেটা মনে করাই যায়।
কিন্তু লওতারো বার্সেলোনায় আসলেই যে প্রতি ম্যাচে সুযোগ পাবেন মেসি-সুয়ারেজদের মতো, সেটা মনে করছেন না সাবেক আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার হাভিয়ের সাভিওলা।

২০০১ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত বার্সেলোনায় থাকা এই তারকা পরের তিন বছর খেলেছেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে। তবে কোনো ক্লাবের হয়েই মূল একাদশে নিয়মিত সুযোগ পেতেন না সাভিওলা। নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই কি না, সাভিওলা লওতারোকে সতর্ক করে দিয়েছেন, বার্সা বা রিয়ালের মতো বড় ক্লাবে যাওয়া মানেই নিয়মিত খেলার নিশ্চয়তা নয়, ‘লওতারোর মান নিয়ে আমার কোনই সন্দেহ নেই। ও এমন একজন খেলোয়াড় যে বার্সেলোনার হয়ে অনেক ভালো করতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস।’

তবে মেসি-সুয়ারেজদের মতো খেলোয়াড়দের পাশে লওতারো নিয়মিত খেলতে পারবেন কি না, তা নিয়ে বেশ সন্দিহান সাভিওলা, ‘আমরা জানি, মেসি-সুয়ারেজদের মতো খেলোয়াড়দের পাশে খেলা কত কঠিন। আমি বলছি না তাঁদের সমঙ্গে খেলা সহজ কিছু। নিজের যুক্তির সপক্ষে প্রমাণও দিয়েছেন সাভিওলা, ‘পাওলো দিবালার কথাই ধরুন। ও বলেছে, মেসির সঙ্গে খেলা অনেক কঠিন, আর আমি ওকে এই ব্যাপারে সমর্থনও করি।

মেসির মতো খেলোয়াড়ের সঙ্গে খেলার জন্য প্রচণ্ড মনোযোগ ধরে রাখা লাগে, ওর গতির সঙ্গে তাল মেলানো লাগে। দেখে সহজ মনে হলেও আসলে তা নয়। লওতারোকে বার্সায় আপাতত না আসারই পরামর্শ দিয়েছেন সাভিওলা, ‘আমি যদি ওর জায়গায় থাকতাম, আমি ইন্টারেই থাকতাম, বার্সায় আসতাম না। কারণ বার্সায় গেলে আমাকে বেঞ্চে বসে থাকতে হতো।’

Leave a Reply